মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে স্থির হয়েছে। সোমবার সকালেও আগের দিনের মতো সেখানকার দুটি টার্মিনাল থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছিল। টার্মিনালের কর্মকর্তারা জানান, এলএনজিবাহী জাহাজ না আসায় সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই টার্মিনাল থেকে ১৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল। অপর টার্মিনাল এক্সিলারেট থেকে মিলছে ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। আগামী ২৬-২৭ আগস্টের মধ্যে এলএনজিবাহী জাহাজ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন সামিটের টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার আশা করছেন জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা। এছাড়া আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে আরো দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ আসার সিডিউল রয়েছে। এসব এলএনজির চালান এসে গেলে দেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলেও জানান তারা।
এর আগে শনিবার দুপুরে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো নিয়ে নতুন জাহাজ বঙ্গোপসাগরে এসে পৌঁছায়। সেটি এক্সিলারেট টার্মিনালে যুক্ত হয়। টানা তিন দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার বিকেলে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে এক্সিলারেট। এতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে শুরু করে। তবে এলএনজির মজুদ কমে আসায় সামিটের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। টার্মিনাল দুটি থেকে এক হাজার থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়।এলএনজির চালান যথাসময়ে না আসায় সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :